যশোরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা রাশেদ খানের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তার বাড়ির প্রাচীর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৬ মে) সকালে রাশেদ খানের বাড়ি পরিদর্শনে যান বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। সেখানে তিনি রাশেদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং পুরো ঘটনার বিস্তারিত খোঁজখবর নেন। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে তাদের নিরাপত্তা ও বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চান।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত পরিবারকে আশ্বস্ত করে বলেন, অন্যায়কারী যেই হোক, কোনোভাবেই ছাড় পাবে না। তিনি প্রশাসনের প্রতি ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ভয়ভীতি উপেক্ষা করে আইনি প্রক্রিয়ার ওপর আস্থা রাখার পরামর্শ দেন।পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ২৫ মে রাতে খোলাডাঙা এলাকার রাশেদের প্রতিবেশী মনা, ইমন, জুলি খাতুনসহ আরও কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র, ধারালো দা ও কুড়াল নিয়ে তাদের বাড়ির-সংলগ্ন দোকানের সামনে এসে গালিগালাজ শুরু করে। বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ করলে রাশেদ খানের ওপর এলোপাতাড়ি হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। হামলাকারীরা শুধু মারধরেই থেমে থাকেনি, তারা রাশেদের দোকান ও বসতবাড়ির প্রাচীর ভাঙচুর করে। এতে প্রায় ২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি পরিবারের। ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানিয়েছেন।
কোতোয়ালি থানার ওসি মাসুম হোসেন বলেন, ঘটনার পর থেকে মনাসহ অন্যরা পলাতক রয়েছেন। আমরা তাদের আটকের জন্য চেষ্টা চালাচ্ছি।
খুলনা গেজেট/এএজে

